Description
দেশী চীনা বাদাম-Deshi Peanuts
চিনা বাদাম খাওয়ার উপকারিতা:
প্রচুর শক্তির উৎস : চিনা বাদাম প্রচুর পরিমানে খনিজ, পুষ্টি, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন ধারন করে এবং প্রচুর পরিমাণ শক্তির উৎস এটি।
খারাপ কোলেস্টেরল মাত্রা কমায় : কোলেস্টেরল হওয়ার একমাত্র কারণ হল অপুষ্টিকর খাবার এবং অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাদ্য গ্রহণ। নিয়মিত চিনা বাদাম খেলে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে পাশাপাশি ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে।
পাকস্থলী ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে : পলি-ফেনোলিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলি চিনা বাদামে উচ্চ মাত্রায় উপস্থিত। যা পাকস্থলীর ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে।
দেহের বিকাশ : চিনা বাদাম উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ। এর মধ্যে উপস্থিত অ্যামিনো অ্যাসিড শরীরের উন্নয়ন এবং বিকাশের জন্য উপকারি।
রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে : পুষ্টির অভাব জনিত কারনে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কমে যায়। যার দরুন নানা ধরনের রোগের উৎপত্তি হয়। যেমন- সর্দি, কাশি, জ্বর, মাথা ব্যথা, শরীরে দুর্বলতা ইত্যাদি। চিনা বাদামে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।
স্বাস্থ্যকর ত্বক : বাদামের মধ্যে উপস্থিত ফাইবার দেহের টক্সিন এবং বর্জ্য পদার্থ বর্জন করার জন্য অপরিহার্য। শরীরের ভেতরে থাকা দূষিত পদার্থ আমাদের বাইরের চেহারায় প্রতিফলিত করে। যার ফলে মলিনতা, অতিরিক্ত তেল সৃষ্টি হয়। প্রতিদিন চিনা বাদাম, আপনার শরীরের অতিরিক্ত বিষাক্ত পদার্থ নিঃসারিত করে স্বাস্থ্য লাবণীয় ত্বক দিতে সহায়তা করে।
দেশী চিনা বাদামের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা:
ক্যালরি : দেহের শক্তির উৎস ক্যালরি। আমাদের দেহে শক্তির জোগান দেয় দেশী চিনা বাদাম।
প্রোটিন : প্রোটিন আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। প্রোটিন ছাড়া আমাদের শরীরের ত্বক, চুল, নখ, হাড় কিছুই বিকাশ অসম্ভব। ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া থেকে শরীরকে প্রতিরক্ষা করে।
কার্বোহাইড্রেট : কার্বোহাইড্রেটগুলি আমাদের দেহে গ্লুকোজ হিসাবে দ্রুত রক্ত প্রবাহে প্রবেশ করে। স্বাস্থ্যকর ওজন এবং জীবনধারা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
ফাইবার : হজম স্বাস্থ্য এবং নিয়মিত অন্ত্রের জন্য ফাইবার প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা এবং কোলেস্টেরল উন্নত করতে পারে। এটি ডায়াবেটিস, অন্ত্রের ক্যান্সার রোগের জন্য উপকার।
ফ্যাট : ফ্যাট আমাদের ডায়েটের একটি অপরিহার্য অঙ্গ এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন ধরণের চর্বি রয়েছে, কিছু ফ্যাট অন্যদের চেয়ে স্বাস্থ্যকর থাকে।
ওমেগা -৬ : লোকেরা যদি পর্যাপ্ত ওমেগা -6 ফ্যাটি অ্যাসিড না খায় তবে কোষগুলি সঠিকভাবে কাজ করবে না।
ভিটামিন-ই : ভিটামিন ই শরীরের অনেক অঙ্গের সঠিক ক্রিয়াকলাপের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন। এটি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও। এর অর্থ এটি কোষের ক্ষতিগ্রস্থ প্রক্রিয়াগুলি ধীর করতে সহায়তা করে।
আয়রন : নিমিয়া রোগের জন্য উপকারী এবং রোগ প্রতিরোধক শক্তি বৃদ্ধি করে।
সোডিয়াম : মস্তিষ্কের কাজ, রক্ত, হৃদয় ইত্যাদির জন্য উপকারী। আমাদের দেহে সঠিক পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।
ক্যালসিয়াম : শরীরের হাড় এবং দাঁত মজবুত করতে সহায়তা করে।
ম্যাগনেসিয়াম : সুগারের রোগীদের জন্য উপকারি এবং হাড় মজবুত রাখে। হৃদরোগ থেকে রক্ষা করার জন্য উপকৃত।
পটাসিয়াম : রক্তচাপ সঠিকভাবে বজায় থাকে এবং এটি পেশী শক্তিশালী করে।
Reviews
There are no reviews yet.